a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় জ্বালানি পাইপলাইনে র্যানসামওয়্যার (ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি) সাইবার হামলার পর জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
গতকাল রোববার (৯ মে) একটি বড় পাইপলাইন বন্ধ করার পর জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ অব্যাহত রাখতেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
জানা যায়, কলোনিয়াল পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনে ২৫ লাখ ব্যারেল জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। যা ইস্ট কোস্টে সরবরাহ করা ডিজেল, গ্যাসোলিন ও জেট ফুয়েলের মোট ৪৫ শতাংশ। সাইবার অপরাধী গ্যাংয়ের হামলার পর এটি পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বর্তমানে যা মেরামতের কাজ চলছে। জরুরি অবস্থা জারি হলেও সড়ক দিয়ে জ্বালানি পরিবহন সম্ভব হবে বলে জানানো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজ সোমবার (১০ মে) জ্বালানির মূল্য ২ থেকে ৩ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এটি সময় বেশি নিলে পরিস্থিতি অনেক খারাপ হবে বলে জানান।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ডার্ক সাইড নামের সাইবার-অপরাধীদের দল এই র্যানসামওয়্যার হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা কলোনিয়াল নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করে। পরে প্রায় ১০০ জিবি সমান উপাত্ত আটকে রাখে।
তথ্য-উপাত্ত আটকে রেখে তা কয়েকটি কম্পিউটার ও সার্ভারে স্থানান্তর করে তারা। শুক্রবার তারা তথ্য-উপাত্তগুলো ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেছে। যদি সে অর্থ না-দেওয়া হয়, তবে ইন্টারনেটে সেসব উপাত্ত ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।
ফাইল ছবি
নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল আজারবাইজান। ৪৪ দিনব্যাপী চলা সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নভেম্বরের ১০ তারিখ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় থেমে যায়। আজারবাইজান ফিরে পায় তাদের কাঙ্খিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল। কিন্তু এর বিনিময়ে আজারবাইজানকে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্যকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
বুধবার (২ জুন) আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এমনটাই দাবি করে। এদিন ৪৪ দিনের যুদ্ধে (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২০) যে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্য প্রাণ শহীদ হয়েছেন সেখানে তাদের নাম, ডাকনাম, জন্ম তারিখ, র্যাঙ্ক, ব্যাজসহ বিস্তারিত তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
পাশাপাশি যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। আর নিখোঁজ সৈন্যদের খুঁজে বের করার সকল প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
ফাইল ছবি
রাজধানীর মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম (টিপু) হত্যার সন্দেহভাজন মূল পরিকল্পনাকারী সুমন শিকদার ওরফে মুসাকে ওমান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মুসাকে নিয়ে আসা গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মুসাকে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে তাকে ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, আমরা আশা করছি, মুসার কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
উল্লেখ্য, মতিঝিল এলাকায় দলীয় ও অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে গত ২৪ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরের আমতলা মসজিদের সন্নিকটে রেলক্রসিং-এর আগে গাড়ি সিগনালে দাঁড়ালে সেখানে এলোপাতাড়ি গুলি করলে মারা যায় জাহিদুল ইসলাম টিপু। সে সময় ঘটনাস্থলে রিকশায় বসে থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতিও (২২) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
মুসাকে ফিরিয়ে আনতে গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের তিন সদস্যের একটি টিম গত রবিবার ওমানে যান। এর আগে, ১০ মে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) সুমন শিকদারকে গ্রেফতারের জন্য ওমানের এনসিবিকে অনুরোধ জানায়। অনুরোধ অনুযায়ী ১৭ মে ওমান পুলিশ মুসাকে গ্রেফতার করে দেশে আনা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক